ই-পেপার | মঙ্গলবার , ২৩ জুলাই, ২০২৪

করোনায় ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ১৫.৭

দেশে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮০ জনের।

২০ দিন মৃত্যুহীন থাকার পর ২০ জুন করোনায় একজনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর পর থেকে টানা চার দিন করোনায় একজন করে মৃত্যু হয়। আগের ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮ হাজার ৪৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক শূন্য ৭। আগের দিন এ হার ছিল ১২ দশমিক ১৮। এ সময় ১ হাজার ৬৮৫ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে দেশে করোনা শনাক্তের হার ১০-এর ওপরে ছিল গত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১০ দশমিক ২৪। এরপর শনাক্তের হার ধারাবাহিকভাবে কমছিল।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে ১ হাজার ২৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ২১৪ জন ঢাকা বিভাগের। এর মধ্যে ১ হাজার ১৯০ জনই মহানগরসহ ঢাকা জেলার। এ সময় রংপুর বিভাগ বাদ দিয়ে সব বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৫০, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ৫ জন করে, খুলনা ৪, সিলেট ও রাজশাহীতে ১ জন করে করোনা শনাক্ত হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। বাকি একজন বরিশাল বিভাগের।

সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৩ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৫১৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ জনের।

দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগসহ ছয় দফা ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সরকারের করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। গত মঙ্গলবার রাতে ভার্চ্যুয়ালি এক সভায় কমিটি এসব পরামর্শ দেয়।

পরামর্শের মধ্যে আরও রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে আবারও উদ্বুদ্ধ করার জন্য সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানানো, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও জনসমাগম বর্জন করতে হবে। ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানে (যেমন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত রিপোর্ট